চাল আমদানি স্থগিতাদেশের সময়সীমা বাড়িয়েছে ফিলিপাইন

চাল আমদানিতে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬০ দিনের স্থগিতাদেশ জারি করেছিল ফিলিপাইন সরকার।

চাল আমদানিতে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬০ দিনের স্থগিতাদেশ জারি করেছিল ফিলিপাইন সরকার। ধান কাটার মৌসুমে স্থানীয় কৃষকদের সুরক্ষা ও বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দেশটির সরকার। শুক্রবার এ স্থগিতাদেশের সময়সীমা আরো বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র। তবে কতদিন এ স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে তা এখনো নির্দিাষ্ট করে জানানো হয়নি। খবর রয়টার্স।

নিয়মানুযায়ী, সাধারণ প্রক্রিয়াজাতকৃত ও ভালো মানের চাল আমদানি বন্ধ থাকলেও স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হয় না, এমন কিছু চালের ধরন এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে রয়েছে।

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট দপ্তরের আন্ডারসেক্রেটারি ক্লেয়ার কাস্ত্রো বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের নির্দেশনায় দুই মাসের আমদানি স্থগিতাদেশ আরো বাড়ানো হবে।’

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ চাল আমদানিকারক ফিলিপাইন গত বছর ৪৮ লাখ টন চাল আমদানি করেছে, যার বেশির ভাগ এসেছে ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড থেকে। কৃষিমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো টিউ লরেল জানিয়েছেন, তিনি প্রেসিডেন্টকে আরো ১৫-৩০ দিনের স্থগিতাদেশ বাড়ানোর সুপারিশ করবেন। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় চাল আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনা করছে।

ফিলিপাইনে গত বছর মার্চে চালের দাম বেড়ে বার্ষিক হারে ২৪ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছায়, যা ছিল ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে চলতি বছরের আগস্টে চালের দাম ১৭ শতাংশ কমে আসে। এমন পরিস্থিতি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছে। এ সময়ের মধ্যে গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৭ শতাংশে, যা সরকার নির্ধারিত ২-৪ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম।

অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফিলিপাইন এরই মধ্যে চালসহ কিছু পণ্যের আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে এবং বিদ্যমান শুল্ক হ্রাস কার্যক্রমও বাড়িয়েছে।

আরও